Home Blog

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ  করেছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক এক বিবৃতিতে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও জাতীয় জীবনে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, একইসঙ্গে তাঁর নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে নেমে এসেছে গভীর শোক।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবর্তনের ইতিহাসে এক অনন্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। আমাদের দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সকল বাধা অতিক্রম করে দৃঢ়তা, সাহস এবং নিজের আদর্শের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।
তাঁর নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অধ্যায়গুলোর সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত ছিল এবং সারাজীবন তিনি তাঁর দল, দলের সমর্থকবৃন্দ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একজন নিবেদিত প্রবক্তা হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর অবদান আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, প্রিয়জন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের এই গভীর শোক সহ্য করার শক্তি, ধৈর্য ও সান্ত্বনা দান করেন।

-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নাসিমন ভবনে শোকের ছায়া

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নাসিমন ভবনে শোকের ছায়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে। দলের মহানগর কার্যালয় নাসিমন ভবনে বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ। বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করে দিনভর সেখানে ভিড় করেছে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীসহ সর্বসাধারণের মঙ্গলবার দিনটি শুরু হয়েছে। দলের চেয়ারপার্সনের এই মৃত্যুর খবরে শোকে মুষড়ে পড়েন নেতাকর্মীরা। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলের নেতাকর্মীরা ছুটে আসতে থাকে নগর বিএনপির কার্যালয় নুর আহমদ সড়কস্থ নাসিমন ভবনে। এসময় তাঁদের অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। একে এক সেখানে উপস্থিত হন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ, সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, কাজী বেলালসহ বিএনপি ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে পুরো নাসিমন ভবন চত্বর জুড়ে নেতাকর্মীর ভিড় জমে যায়।
কেন্দ্র ঘোষিত শোক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নেতাকর্মীরা বুকে কালো ব্যাজ ধারন করেন। দলীয় কার্যালয় চত্বরে বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
সেখানে উপস্থিত চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আমাদের কাছে কেবল নেত্রী ছিলেন না তিনি ছিলেন আমাদের মায়ের মতো। এই দেশ মাতৃকাকে ভালবেসে সারা জীবন তিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। স্বৈরাচারের অমানুষিক নির্যাতন-নিপীড়নের মুখেও তিনি কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি। তার মৃত্যুতে কেবল বিএনপি নেতাকর্মীরা নন সারাদেশের মানুষ অভিভাবকহীন হয়েছে। তার এই শূন্যতা কখনো পূরণ হবে না। তিনি বলেন, চেয়ারপার্সনের মৃত্যুতে ইতোমধ্যে দলের পক্ষ থেকে সাত দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগরের পক্ষ থেকেও কর্মসূচি পালন করা হবে। আমরা খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল করেছি। আগামীকাল নাসিমন ভবনস্থ কার্যালয়ে শোক বই খোলা হবে বলেও জানান তিনি।
শোক : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ঠ ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি আজীবন দেশের মানুষের ভোটের অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন দেশ ও জাতির জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন মহান অভিভাবক ও অভিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ককে হারাল।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে শোক জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. মনজুর আলম। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক শোকবার্তায় মো. মনজুর আলম বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একজন আপোষহীন দৃঢ়চেতা নেত্রী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশ ও জাতি একজন দেশপ্রেমিক, মানবতা প্রেমিক নেত্রীকে হারালো। যা কোনো দিন পূরণ হবার নয়। শোকবার্তায় তিনি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন-সিইউজে। সংগঠনের সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ এক বিবৃতিতে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক দৃঢ়চেতা নেতৃত্ব। রাষ্ট্র পরিচালনা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বহুদলীয় রাজনীতির বিকাশে তাঁর অবদান ইতিহাসে অসামান্য।
চট্টগ্রাম মেট্রেপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান এক বিবৃতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেন, বহু উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াই, সংসদীয় রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
এদিন সকাল সাতটার দিকে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বেগম জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা করে সবার কাছে তার বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।
এর আগে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মাঝরাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন।
তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর থেকে এখানে (এভারকেয়ার) চিকিৎসাধীন আছেন। বর্তমানে তিনি অত্যন্ত সংকটময় সময় পার করছেন। সময়ই বলে দেবে তিনি সেই সংকট কতটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।’
কিন্তু সংকট কাটিয়ে উঠতে পারলেন না তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সৃষ্টিকর্তার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। 
এর আগে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, বেগম জিয়ার ছোট ভাইসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালে যান তাকে দেখতে। তারেক রহমান, তার স্ত্রী ও কন্যা জাইমা রহমান রাত ২টা পর্যন্ত এভারকেয়ার হাসপাতালে ছিলেন বলে জানান ডা. জাহিদ। 
নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৩ নভেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে এক মাসের বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে পৃথিবীর যাত্রা শেষ করেন।

মনোরেল বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা চাইলেন মেয়র শাহাদাত

মনোরেল বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা চাইলেন মেয়র শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ সহযোগিতা চান মেয়র। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী।

সভায় জানানো হয়, গত ২৪ জুন ২০২৫ তারিখে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে আরব কনস্ট্রাক্টর ও ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোটিয়াম চট্টগ্রামে মনোরেল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই ও বাস্তবায়ন বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পরদিন ২৫ জুন বিডা’র কাছে এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা চেয়ে পত্র পাঠানো হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বিডা স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে সহযোগিতা চেয়ে পত্র দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ২১ অক্টোবর চসিককে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সর্বশেষ ১৬ নভেম্বর বিডা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে তাগাদা পত্র প্রদান করে।

সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক নগরী। এখানকার যানজট নগরবাসীর জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।

এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী মনোরেল প্রকল্পে আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, দেশের অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ যুক্ত হলে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং পরামর্শ দেন। জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগে চলতি বছরে নগরীর জলাবদ্ধতা প্রায় ৬০ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছে। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য নগরীর ২১টি খাল খনন ও সংস্কারের জন্য একটি ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। 

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব এসময় উপস্থিত ছিলেন।

মায়ানমারে সিমেন্ট পাচার : দু’টি বোটসহ ২৩ জন আটক

মায়ানমারে সিমেন্ট পাচার : দু’টি বোটসহ ২৩ জন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া বহির্নোঙ্গর এলাকা ১৭৫০ বস্তা সিমেন্ট ভর্তি দু’টি ইঞ্জিন বোটসহ ২৩ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচার করা হচ্ছিল বলে নৌবাহিনীর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।  

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, একটি পাচারকারী চক্র ইঞ্জিন চালিত বোটের মাধ্যমে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মায়ানমারে সিমেন্ট পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় টহলে নিয়োজিত থাকা বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ শহীদ মহিবুলাহ কুতুবদিয়া বাতিঘর হতে ৪৬ মাইল দূরে সন্দেহজনক দুটি কাঠের বোট দেখতে পায়। নৌবাহিনী জাহাজ বোট দু’টিকে থামার সংকেত দিলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। নৌবাহিনী জাহাজ মহিবুল্লাহ ধাওয়া করে ‘এফবি আজিজুল হক’ এবং ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামক দুইটি বোট আটক করে। আটককৃত বোটগুলো তল্লাশি করে ১ হাজার ৭৫০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট এবং  ৩২ টি মোবাইল জব্দ করা হয় । এ সময় চোরাকারবারী দলের ২৩জন সদস্যকেও আটক করা হয়। জব্দকৃত মালামাল ও আটকৃত ব্যক্তিদের অইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশে মার্কিন নাগরিকদের জনসমাগম ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার পরামর্শ

0
বাংলাদেশে মার্কিন নাগরিকদের জনসমাগম ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে । সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জনসমাগম ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দূতাবাসের সতর্কবার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি আরও ঘন ঘন ও তীব্র হতে পারে। শান্তিপূর্ণ উদ্দেশে শুরু হওয়া বিক্ষোভও হঠাৎ সহিংসতায় রূপ নিতে পারে। 

এ ছাড়া বাংলাদেশে মার্কিন নাগরিকদের আশপাশের পরিস্থিতির প্রতি সচেতন থাকা, স্থানীয় গণমাধ্যম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা এবং যেকোনো ধরনের ভিড় থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বা যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করার পাশাপাশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পেতে স্মার্ট ট্রাভেলার এনরোলমেন্ট প্রোগ্রামে (এসটিইপি) নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।

সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মাধ্যমে নৌবাহিনীর বাৎসরিক মহড়া সমাপ্ত

সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মাধ্যমে নৌবাহিনীর বাৎসরিক মহড়া সমাপ্ত

বঙ্গোপসাগরে সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ‘বাৎসরিক সমুদ্র মহড়া-২০২৫’ রবিবার সমাপ্ত হয়েছে। নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান  এর আমন্ত্রণে অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের  উপদেষ্টা; বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা; এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত  মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদ থেকে সমাপনী দিবসের মহড়াসমূহ প্রত্যক্ষ করেন। এছাড়াও নৌবাহিনীর এই মহড়ায় অন্যান্য উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

৫ দিনব্যাপী আয়োজিত এ মহড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রোলক্রাফ্ট, মিসাইল বোটসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাহাজ এবং নৌবাহিনীর মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার এবং বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াডস্ প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাসমূহ এ মহড়ায় প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন ধাপে পরিচালিত এ মহড়ার উল্লেখযোগ্য দিকসমূহের মধ্যে নৌ বহরের বিভিন্ন রণকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, লজিষ্টিক অপারেশন, উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত নৌ স্থাপনাসমূহের প্রতিরক্ষা মহড়া প্রভৃতি অন্তর্ভূক্ত ছিল। চূড়ান্ত দিনের মহড়ার উল্লেখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ হতে ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শোল্ডার লঞ্চড সারফেস টু এয়ার মিসাইল ফায়ারিং, এ্যান্টি এয়ার র‍্যাপিড ওপেন ফায়ারিং, রকেট ডেপথ্ চার্জ ফায়ারিং, নৌকমান্ডোদের মহড়া হেলিকপ্টার ভিজিট বোর্ড সার্চ এন্ড সিজার ও নৌ যুদ্ধের বিভিন্ন রণকৌশল।

নৌবাহিনীর এ বার্ষিক মহড়ার মূল লক্ষ্য সমুদ্র এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সমুদ্র সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ, সমুদ্র পথের নিরাপত্তা বিধানসহ চোরাচালানরোধ, জলদস্যুতা দমন, উপকূলীয় এলাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সমুদ্র এলাকায় প্রহরা নিশ্চিতকরণ। মহড়ার সফল সমাপ্তিতে আগত সম্মানিত অতিথিগণ এ মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সকল কর্মকর্তা ও নাবিকদের অভিনন্দন জানান এবং নৌ সদস্যদের পেশাগত মান, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়াও উপস্থিত অতিথিগণ দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকারও প্রশংসা করেন।

 -প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর যাত্রা শুরু  ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে

 ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর যাত্রা শুরু  ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সমস্যাগ্রস্থ পাঁচ ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ এর যাত্রা শুরু হচ্ছে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ বোর্ড সভায় নতুন এই ব্যাংকের অনুমোদন  দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথা জানা গেছে।

একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংক হলো— ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, রোববার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ বোর্ড সভায় সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’কে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নতুন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করতে আর কোনো বাধা থাকল না অর্থ মন্ত্রণালয়ের। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৯ নভেম্বর প্রাথমিক অনুমোদন দেয়া হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের। যেখানে আরজিএসসি থেকে কোম্পানি নাম ছাড়পত্র, ব্যাংকের চলতি হিসাব খোলাসহ ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধিবিধান পূরণের দায়িত্ব পড়ে সরকারের ওপর।

অনুমোদনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছে। মতিঝিল অফিসে নতুন ব্যাংকের নির্ধারিত হিসাব খোলার কাজ ইতোমধ্যে চলছে। রাজধানীর মতিঝিলের সেনা কল্যাণ ভবনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

 

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় চসিকে দোয়া মাহফিল

0
খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় চসিকে দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি, দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগে রোববার (৩০নভেম্বর) এক বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) বাদে জোহর বাটালি হিল টাইগার পাসস্থ নগর ভবনের মসজিদে দোয়া মাহফিল শেষে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। মুনাজাতে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং শান্তি সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।  লালদীঘি শাহী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা গোলাম মোস্তফা মো. নুরুন্নবী আল কাদেরী দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন

দোয়া মাহফিলে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আজীবন দেশের মানুষের ভোটের অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তার এই কঠিন সময়ে আমরা সবাই আল্লাহর দরবারে তার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি দলের নেত্রী নন, তিনি গোটা জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এই দোয়া মাহফিল থেকে আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে বিশেষভাবে প্রার্থনা জানাই, তিনি যেন আমাদের নেত্রীকে সুস্থ করে দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। আমরা বিশ্বাস করি, লাখো কোটি মানুষের দোয়া আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. কামরুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন ডিপটি, সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব আলম, চসিক সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান সোহেল, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।

দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আদালত চট্টগ্রামে

দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আদালত চট্টগ্রামে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আদালত চালু হয়েছে চট্টগ্রামে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা রোববার (৩০ নভেম্বর) এর উদ্বোধন করেন।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এটি পেপারলেস আদালত। বিচারকার্যকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও ঝামেলামুক্ত করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ই–পারিবারিক আদালত চালু হওয়ায় পারিবারিক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। বছরের পর বছর আদালতে ঘুরতে হবে না।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে ই–পারিবারিক আদালত চট্টগ্রম এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা বলেন, ই–পারিবারিক আদালত দেশে বিচারপ্রার্থী মানুষের দুর্ভোগ কমানোর একটি বড় পদক্ষেপ। ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর এ আদালতে মামলার আবেদন থেকে প্রতিদিনের কার্যক্রম—সবই অনলাইনে সম্পন্ন হবে। থাকবে না কোনো কাগজের ব্যবহার। বিচারপ্রার্থীদের মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে সবকিছু জানিয়ে দেওয়া হবে।

সচিব বলেন, চট্টগ্রামের এ পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে আইনি সেবা প্রদানে নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। ডিজিটাল প্রযুক্তির পাশাপাশি ম্যানুয়ালি কার্যক্রমও থাকবে। তবে ই–পারিবারিক আদালতে নথি হারানোর শঙ্কা কম থাকবে। বিচারপ্রার্থীদের যে কোনো মামলার নথি অল্প সময়ের মধ্যে বের করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে হয়রানিও অনেকাংশে কমবে। ই–পারিবারিক আদালতে বিচারপ্রার্থীদের মামলার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি ও অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে বিচারকার্য স্বচ্ছ ও ঝামেলামুক্ত হবে।

তিনি বলেন, যেকোনো স্থান থেকেই বাদী ও বিবাদীরা অনলাইন হাজিরা দিতে পারবেন। নিজস্ব পোর্টালে আইনজীবীর পরিচালিত সব নথি থাকবে একসঙ্গে। ফলে ব্যবস্থাপনা হবে সহজ। এদিকে যেকোনো জায়গা থেকে লগইন করে নথির কাজ যেকোনো সময়ে খসড়া করে রাখতে পারবেন আইনজীবীরা। নথি জমা দেওয়া, কপি তোলা ও বারবার একই তথ্য প্রস্তুতের কাজ কমবে।

উদ্বো্ধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার।